ঈদযাত্রায় বাসে ১৪৮ কোটি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে অভিযোগ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। বেসরকারি এই সংস্থার দাবি, সরকারের নজরদারিতে ব্যর্থ হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে। কিন্তু তা অস্বীকার করে মালিকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বক্তব্য দিচ্ছে সরকার। ভাড়া নৈরাজ্য ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করতে চলেছে।
বুধবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। সংগঠনটি ভাড়া পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঈদে ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে পাবনার নিয়মিত ভাড়া নিয়মিত ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। ঈদে তা এক হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-নাটোরের ভাড়া ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা। ঈদে তা এক হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা-রংপুর রুটের ৫০০ টাকার ভাড়া দেড় হাজার, ঢাকা-নোয়াখালী রুটের ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা-লক্ষ্মীপুরের ৫০০ টাকার ভাড়া ৭০০ টাকা, ঢাকা-রামগঞ্জ রুটের ৩৫০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ৬০০ টাকা টাকা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ট্রাক-পিকআপেও ৫০০ টাকা ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে।
যাত্রী কল্যাণের পর্যবেক্ষণকালে বলা হয়েছে, ৫২ আসনে বাসও যাত্রীদের অসচেতনার সুযোগ নিয়ে ৪০ আসনের হারে ভাড়া নিচ্ছে। সিএনজিচালিত বাস ও ডিজেলচালিত বাসের ভাড়ার হার ভিন্ন হলেও ঈদযাত্রার বহরে সবাই সমহারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।
পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, কিছু কিছু নামী-দামী কোম্পানির বাসে কৌশলে বাড়তি ভাড়া আদায়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে টিকিট নেই অজুহাতে সাতকানিয়া, চকরিয়া বা বান্দরবানের টিকিট কাটতে বাধ্য করছে। যাত্রী উত্তরবঙ্গের বগুড়ায় যেতে চাইলে, রংপুর, নওগাঁ পর্যন্ত টিকিট কাটতে বাধ্য করতে দেখা গেছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে দূরপাল্লার রুটে বাস-মিনিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াতে ৮৭ শতাংশ যাত্রীপ্রতি টিকিটে গড়ে ৩৫০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এ হিসেবে এবারের ঈদে দূরপাল্লার যাত্রীদের ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অন্যান্য গড়ে ৫০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। ফলে এবারের ঈদে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা শুধুমাত্র বাস-মিনিবাসে বাড়তি ভাড়া আদায় হবে।
বুধবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। সংগঠনটি ভাড়া পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঈদে ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে পাবনার নিয়মিত ভাড়া নিয়মিত ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। ঈদে তা এক হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-নাটোরের ভাড়া ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা। ঈদে তা এক হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা-রংপুর রুটের ৫০০ টাকার ভাড়া দেড় হাজার, ঢাকা-নোয়াখালী রুটের ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা-লক্ষ্মীপুরের ৫০০ টাকার ভাড়া ৭০০ টাকা, ঢাকা-রামগঞ্জ রুটের ৩৫০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ৬০০ টাকা টাকা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ট্রাক-পিকআপেও ৫০০ টাকা ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে।
যাত্রী কল্যাণের পর্যবেক্ষণকালে বলা হয়েছে, ৫২ আসনে বাসও যাত্রীদের অসচেতনার সুযোগ নিয়ে ৪০ আসনের হারে ভাড়া নিচ্ছে। সিএনজিচালিত বাস ও ডিজেলচালিত বাসের ভাড়ার হার ভিন্ন হলেও ঈদযাত্রার বহরে সবাই সমহারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।
পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, কিছু কিছু নামী-দামী কোম্পানির বাসে কৌশলে বাড়তি ভাড়া আদায়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে টিকিট নেই অজুহাতে সাতকানিয়া, চকরিয়া বা বান্দরবানের টিকিট কাটতে বাধ্য করছে। যাত্রী উত্তরবঙ্গের বগুড়ায় যেতে চাইলে, রংপুর, নওগাঁ পর্যন্ত টিকিট কাটতে বাধ্য করতে দেখা গেছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে দূরপাল্লার রুটে বাস-মিনিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াতে ৮৭ শতাংশ যাত্রীপ্রতি টিকিটে গড়ে ৩৫০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এ হিসেবে এবারের ঈদে দূরপাল্লার যাত্রীদের ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অন্যান্য গড়ে ৫০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। ফলে এবারের ঈদে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা শুধুমাত্র বাস-মিনিবাসে বাড়তি ভাড়া আদায় হবে।