ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে এমন সংবাদ প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।
এতে বলা হয়, সরকার, প্রশাসন, সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির নামে কথিত সংগঠনের জনৈক মোজ্জামেল হক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজেকে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রচার করার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে এমন সংবাদ প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এই ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রচারিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও বলা হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে যানজট ও চাঁদামুক্ত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন যৌথভাবে ঢাকা মহানগরীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্থান, ফুলবাড়িয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেছে।
প্রতিটি টার্মিনালে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, বিআরটিএ ও ভোক্তা অধিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মনিটরিং ক্যাম্প বসানো হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি টার্মিনালে বিশৃঙ্খলা এড়াতে মালিক-শ্রমিক যৌথভাবে সেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোথাও কোনো যাত্রীদের নিকট অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হয়নি। যদি কোনো বাস কাউন্টারে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে অনিয়ম করার অপরাধে একজন বাস কাউন্টার ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করে সাজা দেয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকার, প্রশাসন, সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির নামে কথিত সংগঠনের জনৈক মোজ্জামেল হক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজেকে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রচার করার জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে এমন সংবাদ প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এই ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রচারিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও বলা হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে যানজট ও চাঁদামুক্ত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন যৌথভাবে ঢাকা মহানগরীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্থান, ফুলবাড়িয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেছে।
প্রতিটি টার্মিনালে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, বিআরটিএ ও ভোক্তা অধিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মনিটরিং ক্যাম্প বসানো হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি টার্মিনালে বিশৃঙ্খলা এড়াতে মালিক-শ্রমিক যৌথভাবে সেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোথাও কোনো যাত্রীদের নিকট অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হয়নি। যদি কোনো বাস কাউন্টারে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে অনিয়ম করার অপরাধে একজন বাস কাউন্টার ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করে সাজা দেয়া হয়েছে।