সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে সর্বোচ্চ আদালতের রায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন,তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে জাতীয় সংসদ। আজ মঙ্গলবার মতিঝিল চেম্বার বিল্ডিং ভবনে ‘তত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায়, সংবিধান সংস্কার ও সংস্কার পরিষদ’ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ২০১১ সালে প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল ঘোষণা করে যে রায় দিয়েছিল সেটা ছিল বিকৃত। রায়টা ছিল অসাংবিধানিক ও ত্রটিপূর্ণ।
ড. শরীফ ভূঁইয়া আরও বলেন, ১৫ বছর আগে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার শুরু হয়েছিল খায়রুল হকের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে দলীয় বিচারকদের রায়ে সংকটের শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট এর দায় এড়াতে পারে না। আপিল বিভাগ তার ভুল বুঝতে পেরে আগের রায়টি বাতিল করে সংশোধন করেছেন। আমরা প্রতিকার পেয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে উচ্চ আদালতে আবেদনকারী ও সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে জুলাই সনদের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে জাতীয় সংসদে সংশোধন আনা দরকার। আশা করবো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে জুলাই সনদ অনুযায়ী বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার পরিচয় দেবে। অতীত থেকে শিক্ষা নেবেন রাজনীতিবিদরা। জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেটাই সরকারের মেনে নেওয়া দরকার।
সংবিধানে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে গত বছরের ২০ নভেম্বর সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চ আপিল বিভাগের ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা দুটি পৃথক সিভিল আপিল মঞ্জুর ও চারটি রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করে সর্বসম্মত হয়ে এ রায় দেন। প্রায় চার মাস পর ৭৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি ১২ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এই রায়ে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হলো। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে আগামী চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে।
এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ২০১১ সালে প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল ঘোষণা করে যে রায় দিয়েছিল সেটা ছিল বিকৃত। রায়টা ছিল অসাংবিধানিক ও ত্রটিপূর্ণ।
ড. শরীফ ভূঁইয়া আরও বলেন, ১৫ বছর আগে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার শুরু হয়েছিল খায়রুল হকের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে দলীয় বিচারকদের রায়ে সংকটের শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট এর দায় এড়াতে পারে না। আপিল বিভাগ তার ভুল বুঝতে পেরে আগের রায়টি বাতিল করে সংশোধন করেছেন। আমরা প্রতিকার পেয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে উচ্চ আদালতে আবেদনকারী ও সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে জুলাই সনদের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে জাতীয় সংসদে সংশোধন আনা দরকার। আশা করবো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে জুলাই সনদ অনুযায়ী বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার পরিচয় দেবে। অতীত থেকে শিক্ষা নেবেন রাজনীতিবিদরা। জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেটাই সরকারের মেনে নেওয়া দরকার।
সংবিধানে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে গত বছরের ২০ নভেম্বর সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চ আপিল বিভাগের ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা দুটি পৃথক সিভিল আপিল মঞ্জুর ও চারটি রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করে সর্বসম্মত হয়ে এ রায় দেন। প্রায় চার মাস পর ৭৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি ১২ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এই রায়ে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হলো। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে আগামী চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে।